সংবাদ শিরোনাম

হজ থেকে ফিরে হাজীদের কিছু আমল

পথের খবর

হাজী সাহেবরা হজের সমস্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে মক্কা ছাড়তে শুরু করছেন। সোমবার (২৭ আগস্ট) রাত সোয়া দশটার দিকে হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এসে পৌঁছাবে। প্রথা অনুযায়ী প্রথম ফ্লাইটের হজযাত্রীদের স্বাগত জানাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পদস্থ কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।

আগামী একমাসের মধ্যে বাংলাদেশের হাজীরা বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবেন। বিমান বন্দর থেকে হাজীরা নিজ নিজ বাড়িতে যাবেন। বাড়িতে যাওয়ার আগে, হজ থেকে ফেরার পর বিশেষ কিছু আমল রয়েছে সেগুলো পালন করা উত্তম। সেসব নিয়েই আজকের এই আযোজন।

হজ থেকে ফিরে এসে নিকটস্থ মসজিদে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা সুন্নত। হজ থেকে ফিরে শুকরিয়াস্বরূপ গরিব-মিসকিন ও আত্মীয়স্বজনকে খাবারের দাওয়াত দেওয়া বৈধ। তবে অহংকার, লোক দেখানো ও বিশেষ উদ্দেশ্য সামনে রেখে এমন দাওয়াতের ব্যবস্থা করা ইসলাম অনুমোদন করে না।

ঘরে ফিরে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা মুস্তাহাব।

হাজী সাহেবদের অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা জানানো, তাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ, মোসাফাহা, কোলাকুলি করা ও তাদের দিয়ে দোয়া করানো মুস্তাহাব। কিন্তু ফুলের মালা দেওয়া, তাদের সম্মানার্থে স্লোগান ইত্যাদি দেওয়া সীমা লঙ্ঘন। তাই এসব কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবকে উপহার-উপঢৌকন দেওয়া সুন্নত। কিন্তু মনের আগ্রহ ছাড়া কেবল প্রথা পালনের জন্য কোনো কাজ করা শরিয়ত অনুমোদন করে না। হাজীদের হাদিয়া দেওয়া ও তাদের কাছ থেকে হাদিয়া গ্রহণ করা এখন প্রথায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটা নামের জন্য বা চক্ষুলজ্জার কারণে দেওয়া হয়। তাই তা বর্জন করা উচিত।

আমাদের মনে রাখতে হবে, যেকোনো ইবাদত আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তার হুকুম পালন করার জন্য হয়ে থাকে। তেমনি নামের শুরুতে আলহাজ লেখা কিংবা হাজী সাহেব হওয়ার জন্য হজ পালন করা অবৈধ।

তবে হ্যাঁ, মানুষ যদি এমনিতেই সম্মান করে আলহাজ লেখে কিংবা হাজী সাহেব বলে ডাকে, তাতে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু নিজের নামের সঙ্গে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হাজী বা আলহাজ ব্যবহার করা কিংবা কেউ এ বিশেষণটি বর্জন করায় মনঃক্ষুণ্ন হওয়া গর্হিত কাজ। এ মনোভাব ইবাদতের তাৎপর্য নষ্ট করে দেয়। আমলকে সওয়াবহীন করে দেয়। যা আল্লাহ কবুল করেন না।

হজ থেকে হাজী সাহেব পাপমুক্ত হয়ে ফিরে আসেন। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘হজ করার পরে যদি সত্যিকার হাজী মাবরুর করে থাকেন (মাবরুর হজ বলা হয় যেই হজ কবুল করা হয়), তাহলে তার অবস্থা হচ্ছে- তিনি নিষ্পাপ হয়ে ফিরে এলেন।’

এখন নিষ্পাপ ব্যক্তি যথাসম্ভব চেষ্টা করবেন তিনি তার এই হজটাকে পরবর্তী জীবনে ধরে রাখার জন্য। যাতে করে তিনি এ অবস্থায় থাকতে পারেন। স্বেচ্ছায় যাতে কোনো অপরাধ, অন্যায়, কোনো জুলুমের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত না করেন। কারণ, হজ করার পর আল্লাহর অবাধ্যতার সঙ্গে যদি নিজেকে সম্পৃক্ত করে নেন, এর অর্থ হচ্ছে- তিনি আসলেই জান্নাতের কাছে গিয়েও জান্নাতে পৌঁছাতে পারেননি। যেহেতু আল্লাহতায়ালা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, কিন্তু তিনি সেই ক্ষমার ওপর নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রাখতে পারেননি।

তাই একজন হাজী হজ শেষে ফিরে তাওহিদ পরিপন্থী কোনো কাজ করবেন না, ব্যক্তিগত জীবনে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহর অনুসরণকে প্রাধান্য দেবেন, ইবাদত-বন্দেগিতে পূর্ণ মনোনিবেশ করবেন, নিয়মিত নামাজের জামাতে শরিক হবেন, জাকাত আদায়ে বিলম্ব করবেন না, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে মানুষকে বিরত থাকার পরামর্শ দেবেন। সেই সঙ্গে অন্যের হক নষ্ট করা থেকে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত রাখবেন।

আমাদের সামাজিক প্রথা মতে, হাজী সাহেবদের বিশেষ সম্মানের চোখে দেখা হয়। তাই হাজী সাহেবদের উচিৎ সম্মানটা ধরে রেখে সমাজ সংস্কারে মনোযোগী হওয়া।

 

সর্বশেষ আপডেট
» হজ থেকে ফিরে হাজীদের কিছু আমল
» স্রেফ পায়চারি ও পা নাচিয়ে ওজন কমান
» কয়লা দুর্নীতি : এমডিসহ আরো ৮ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ
» বরিশালে শিদ কেটে ঘরে ঢুকে ব্যবসায়ীকে হত্যা
» সাকিবের আঙুলে এখনই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই
» যমুনায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ৩
» বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে ফিরলেন ৪১৯ হাজী
» ঢাকায় শিশু ধর্ষণ, কিশোর আটক
» ‘ফেসবুকে এখন আমি কিছুই লিখি না’
» গাজীপুরে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষ, ব্যবসায়ী নিহত
» শাহজালালে ৬ কোটি টাকার স্বর্ণসহ আটক ১
» পৃথিবীর ১৫ দূষিত শহরের মধ্যে ভারতেরই ১৪
» ৬০ হাজার ৬৩১ জন হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন
» জোট সরকার গঠনের পথে ইমরান খান
» ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন জেলায় নিহত তিন
» লাল ফিতার দৌরাত্ম্য যেন না থাকে : প্রধানমন্ত্রী
» সৌদি থেকে ফিরলেন ৩৪ নারী ও ৬২ পুরুষ শ্রমিক
» রাজশাহী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার
» মহেশখালীর পাহাড়ে অস্ত্র কারখানার সন্ধান, অস্ত্রসহ আটক ২
» ‘কোটা ইস্যুতে ছাত্রলীগকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী’
» শুরুতেই ধাক্কা খেলো বেতন পরিশোধের ডিজিটাল পদ্ধতি
» আগৈলঝাড়ায় বখাটের বেপরোয়া বাইক কেড়ে নিল স্কুলছাত্রীর প্রাণ
» আম খেলে ওজন বাড়ে?
» হিনার বিরুদ্ধে গহনা আত্মসাতের অভিযোগ
» সাগরতলে সন্ধান মিলল ২০০ টন সোনা ভর্তি জাহাজের!
» শরীরের সুস্থতার জন্য হাড়কে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি
» সড়ক দুর্ঘটনায় মেক্সিকোতে নিহত ১৩
» হৃদযন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে দিনে এক কাপ চা
» দাসত্বের শিকার ৬ লাখ বাংলাদেশি
» রাজধানীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্বামী নিহত, স্ত্রী আহত

জাতীয়

আরও খবর »

‘ফেসবুকে এখন আমি কিছুই লিখি না’

পথের খবর
“সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি কিছু কথা বলতাম। আওয়াজ দিতাম। অন্যদের বলার চেষ্টা করতাম আমাদের প্রতিক্রিয়া কী হওয়া উচিৎ বা কী হবে। কিন্তু এখন আর মুক্তভাবে অনেক কথাই লিখি না। ইনফ্যাক্ট, এখন আমি কিছুই লিখি না।”

ঢাকার এক চাকুরিজীবী নারী এভাবেই বর্ণনা করেছেন বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি। নিজের নাম-পরিচয় তিনি প্রকাশ করতে চান নি। ভয়টা শুধু তার একার নয়, তাকে নিয়ে চিন্তিত তার পরিবারও।

“পরিবার থেকে একটা চাপ আছে যে তোমার এত সোচ্চার হওয়ার দরকার নেই। আমার কর্মক্ষেত্র থেকেও চাপ আছে, তার বলছে যে, আপনি এগুলো লিখবেন না। তারা আমার নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। যেহেতু এখন পরিস্থিতি একটু অন্যরকম, ফলে আমি আর নিরাপদ বোধ করি না।”

গত কিছুদিন ধরে বাংলাদেশে যেভাবে তরুণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক আলোকচিত্রীকে পর্যন্ত গ্রেফতার করে জেলে ভরা হয়েছে, তাতে করে একটা ভয়ার্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানাচ্ছেন ফেসবুক এবং অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীরা। ফেসবুকে এখন তারা কী লিখছেন, কী শেয়ার করছেন তা নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক।

বলা হচ্ছে সম্প্রতি বাংলাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় যেভাবে লোকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাতে করেই এই শংকা তৈরি হয়েছে। মূলত ফেসবুকে তারা যা বলেছেন বা করেছেন, তার জন্যই তাদের গ্রেফতারের শিকার হতে হয় বলে মনে করা হচ্ছে। ফেসবুক ব্যবহারকারিদের অনেকে বলেছেন, তারা এখন কোনো পোস্ট বা লাইক দেয়াসহ সামাজিক মাধ্যমে বেশ সতর্ক থেকে কর্মকান্ড চালান। ঐ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ৫০টির বেশি মামলার মধ্যে আটটি মামলা হয়েছে তথ্য প্রযুক্তি আইনে।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এবং তার আগে সরকারি চাকরির কোটা সংস্কার আন্দোলন-এই দু’টি আন্দোলনের সময়ই এর পক্ষে আন্দোলনকারীরা ফেসবুকে নিজেদের মতামত তুলে ধরতেন।

তাদের অনেকেই বলেছেন, এখন সামাজিক মাধ্যমে এ ধরণের কোনো বিষয় বা রাজনৈতিক কোনো ইস্যু দেখলেই এড়িয়ে যান। তারা কোনো পোস্ট বা লাইক দেয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকছেন। তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলাগুলোতে ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট বা লাইক দিয়ে গুজব ছড়ানো বা উস্কানি দেয়ার অভিযোগ আনা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক মনে করেন, তথ্য প্রযুক্তি আইনে ৫৭ ধারার ভয় আগেই ছিল, এখন সেটি অনেক বেড়েছে।

“৫৭ ধারা সম্বলিত আইসিটি এ্যাক্ট যখন প্রযোজ্য হয়েছে, তখন থেকেই কিছু কিছু মাত্রায় ভয়ের ব্যাপারটা ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু পর পর দু’টি আন্দোলন কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়কের আন্দোলনের সময় বিশেষত কয়েকজনের গ্রেফতার বা মামলার ক্ষেত্রে তাদের ফেসবুকের কর্মকান্ডকে সামনে আনা হয়েছে। তখন সাধারণ ব্যবহারকারিদের মধ্যে একটা ভয় তৈরি হয়েছে। এবং সাধারণ ব্যবহারকারিরা আরও বেশি সতর্ক হয়েছেন বলে আমার ধারণা।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা পরিস্থিতিটাকে ব্যাখ্যা করেন ভিন্নভাবে। তিনি মনে করেন, অনেকে এখনও সামাজিক মাধ্যমে অনেক ইস্যুতেই সক্রিয় থাকলেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে ভাষার পরিবর্তন হয়েছে। “আগে অনেকে অনেক বিষয়ে সরাসরি বলতো। এখন তারা ইনডাইরেক্টলী বলার চেষ্টা করছে। ভাষাটার পরিবর্তন হয়েছে।”

তবে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছেন, সামাজিক মাধ্যমে কোনো ভয়ের পরিবেশ আছে বলে তিনি মনে করেন না। তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে গুজব ছড়ানোর সাথে জড়িতদেরই শুধু চিহ্নিত করা হয়েছে।

“আমিতো ভয় পাওয়ার কোনো কারণ দেখি নাই। সেই সময় যারা গুজব রটিয়েছে,তাদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।তাদেরকেই পুলিশ আইনের আওতায় নিয়েছে। এর মধ্যে ভয়ের কিছু দেখি না।”

তিনি আরও বলেছেন, “ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যম যেগুলো আছে, এগুলোকে আমি গুজব রটানোর প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে দিতে পারি না এবং সেভাবে ব্যবহার করা উচিত না।”

ক্রিকেট আপডেট
জাতীয়
রাজনীতি
আন্তর্জাতিক
দেশজুড়ে
খেলাধুলা
আইন-আপরাধ
অর্থ-বাণিজ্য
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
স্বাস্থ্য
বিনোদন
দেশজুড়ে

আরও খবর »

কয়লা দুর্নীতি : এমডিসহ আরো ৮ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ

পথের খবর

বড়পুকুরিয়ার ১ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন কয়লা খোলাবাজারে বিক্রি করে প্রায় ২৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় আরো আট আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এর মধ্যে কোল মাইনিং কোম্পানির প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিব উদ্দিন আহমদসহ আট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়েছেন।

বুধবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে তদন্ত কমিটির প্রধান ও সংস্থাটির উপপরিচালক শামছুল আলম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তারা হলেন- বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিব উদ্দিন আহমদ, প্রাক্তন মহাব্যবস্থাপক (এক্সপ্লোরেশন), কোম্পানি সেক্রেটারি আবুল কাশেম প্রধানিয়া ও মোশারফ হোসেন সরকার, মহাব্যবস্থাপক (জেনারেল সার্ভিস) মাসুদুর রহমান হাওলাদার, ব্যবস্থাপক (প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট) অশোক কুমার হালদার, ব্যবস্থাপক (মেইনটেনেন্স অ্যান্ড অপারেশন) আরিফুর রহমান, ব্যবস্থাপক (ডিজাইন, কন্সট্রাকশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) জাহিদুল ইসলাম এবং উপব্যবস্থাপক (সেফটি ম্যানেজমেন্ট) একরামুল হক।

এ ছাড়া বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) আরো তিন আসামিসহ নয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চতুর্থ দফায় প্রাক্তন চার ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২০ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সংস্থাটি।

১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪ টন কয়লা ঘাটতির অভিযোগে বিসিএমসিএলের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বাদী হয়ে কোম্পানির সদ্য প্রাক্তন এমডি হাবিব উদ্দিন আহমেদসহ ১৯ জনকে আসামি করে গত ২৪ জুলাই দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানায় একটি মামলা করেন। তফসিলভুক্ত হওয়ায় অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।

মামলায় ১৯ আসামিসহ পেট্রোবাংলার ২১ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য চিঠি দেয় দুদক।

এর আগে এ ঘটনায় বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে কাগজে-কলমে বেশি কয়লার মজুত দেখিয়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খতিয়ে দেখতে ২৩ জুলাই তিন সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছিল দুদক।

সাংসদ মুক্তি অসত্য তথ্য দিয়েছেন, ইসিকে দুদক

পথের খবর

সালাহউদ্দিন আহম্মেদ মুক্তিময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহম্মেদ মুক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চিঠিতে বলা হয়েছে, সাংসদ মুক্তি নির্বাচন কমিশনে হলফনামার মাধ্যমে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে সম্পদ কম দেখিয়ে অসত্য তথ্য দিয়েছেন।

দুদকের সচিব মো. শামসুল আরেফিন স্বাক্ষরিত চিঠিটি ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হয়েছে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামার মাধ্যমে আট তথ্য জমা দেন সাংসদ সালাউদ্দিন। সেখানে তিনি তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর মিলে মোট সাড়ে চার লাখ টাকার সম্পত্তি আছে বলে উল্লেখ করেন। কিন্তু দুদক বলছে নির্বাচন কমিশনে সম্পদের হিসাব দেওয়ার আগে গত ৩০ জুন ২০১৩ সালে উপ–কর অঞ্চল সার্কেল-৬–এ (মুক্তাগাছা) স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৫৬ লাখ ৪ হাজার বলে উল্লেখ করেন। তা ছাড়া সাংসদ তাঁর বাবার কাছ থেকে পাওয়া তিন লাখ টাকার সম্পদের তথ্যও নির্বাচন কমিশন এবং আয়কর বিবরণীতে উল্লেখ করেননি। দুদক এ ধরনের অসত্য হলফনামা দাখিলকে নৈতিকতা পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইন (আরপিও) অনুযায়ী, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে ভোটের আগে এ তথ্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারে। আর ভোটের পর কোনো তথ্যের অমিল পেলে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সদস্যপদ বাতিল করতে পারে। এ জন্য সংসদ সদস্য পদ বাতিল করে তা স্পিকারের দপ্তরে পাঠানোর ক্ষমতা রয়েছে কমিশন। এরপর সংসদ সচিবালয় ওই আসন শূন্য ঘোষণা করতে পারে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইন শাখার এক কর্মকর্তা পথের খবরকে বলেন, সাংসদ সালাউদ্দিনের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধানের কথা তিনি শুনেছেন। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোনো চিঠি তার হাতে আসেনি। এলে অভিযোগ অনুসন্ধান করে কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

আদালতে খালেদা জিয়া

পথের খবর

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ষষ্ঠ দিনের মতো বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য আছে। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে হাজির হন।

এর আগে এই মামলায় খালেদা জিয়ার দুজন আইনজীবী তাঁদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন। তৃতীয় আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অব্যাহত রেখেছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল প্রথমে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছেন।

একই আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য আছে।

এর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পঞ্চম দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, জিয়া অরফানেজের টাকা তছরুপ হওয়ার কোনো তথ্য-প্রমাণ নেই। এই মামলায় রাজনৈতিক গন্ধ আছে

২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আসামি হলেন খালেদা জিয়া, তাঁর বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ছয়জন। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এর মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আসামি হলেন খালেদা জিয়াসহ চারজন।

কুমিল্লায় ভেজাল শরবত কারখানা সিলগালা

পথের খবর ডেস্ক ● কুমিল্লায় নাম সর্বস্ব ‘ওরেঞ্জ-ই’ নামে একটি ভেজাল শরবত কারখানা অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার একটি বাড়িতে ওই ভেজাল কারখানাটির সন্ধান পেয়ে বুধবার (১৬ মে) দুপুরে অভিযানে শুরু করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জাকারিয়ার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ‘ওরেঞ্জ-ই’ নামে প্রায় দুই হাজার ভেজাল শরবত জব্দ করে কারখানা ও গুদামে সিলাগালা করা হয়। এসময় প্রতিষ্ঠান প্রধান মো. আলম কে নগদ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তুষার আহমেদ, চান্দিনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুজ্জামান তালুকদার, উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মহিউদ্দিন, (এস.আই) ডালিম মজুমদার প্রমুখ

ঝিনাইদহে আ.লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট‍ঃ বিবিসি নিউজ ২৪ বিডি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জলিল মোল্লা(৫০)নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার চটকাবাড়িয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। জলিল মোল্লা উপজেলার নটুয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল গফুর মোল্লার ছেলে।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, রাত ৯টার দিকে জলিল মোল্লা চটকাবাড়িয়া বাজারে বসে ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা লোহার রড ও ধারালো দা দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে। বাজারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

প্রেম প্রত্যাখ্যান করায়….

বরিশাল: প্রেম প্রত্যাখ্যান করায় বরিশালের উজিরপুরে শান্তা নামে এক কলেজছাত্রী বখাটের ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন। শান্তা বিএম কলেজের রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ছাত্রী। শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার ধামুরা বাজারের ভ্যান স্ট্যান্ডে আলাল নামে এক বখাটের ছুরিকাঘাতের শিকার হন ওই ছাত্রী। জানা গেছে, বিএম কলেজে বিকেলে প্রথম বর্ষের পরীক্ষা শেষ করে বাসে ধামুরা বন্দরে নেমে বাড়ি ফেরার পথে বখাটে আলালের হামলার শিকার হয় শান্তা। পরে স্থানীয়রা বখাটেকে ধাওয়া করলে সে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ শান্তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে তার মুখমন্ডলে ১৩টি সেলাই দিয়ে তাকে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেলে প্রেরণ করে পুলিশ। শেরেই বাংলা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সুব্রত পাল জানান, তার মুখমন্ডলে সেলাই দিয়ে তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার অবস্থা স্থিতিশীল। তাকে মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। আহতের মা নিলুফা বেগম ও চাচা মো. লিটন জানান, বখাটে আলাল বিভিন্ন সময়ে শান্তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিত। তাকে বোঝানো হলেও সে কারো কথা শুনতো না। তার প্রেম প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় শনিবার রাতে ধামুরা বাজারে ভ্যান স্ট্যান্ডে তাকে কুপিয়ে আহত করে আলাল। তারা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন। এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী উজিরপুর থানার এসআই জসিম বলেন, শান্তা আগৈলঝাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী রতœপুর গ্রামের মৃত মোস্তফা সরদারের মেয়ে। ৩ বছর আগে থেকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলার কাংশি গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে আলালের সাথে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক হয়। মাধ্যমিকের গন্ডি না পেরোনো আলাল ঢাকায় একটি চাইনিজ রেস্তোরায় বেয়ারার কাজ করে শান্তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতো। শান্ত ইতোপূর্বে ৩ বার আলালের বাড়ি গিয়েছিল। তাদের মধ্যে পারিবারিকভাবে বিয়ের কথাও হয়েছিলো। কিন্তু শান্তা বিএম কলেজে অনার্সে ভর্তি হওয়ার পরই তাদের সম্পর্কে ছেদ পড়ে। ইদানিং আলালের সন্দেহ হচ্ছিলো শান্তার সাথে অন্য কারোর সম্পর্ক আছে। এই ক্ষোভ-হতাশা থেকে সে ওই ছাত্রীকে ছুরিকাঘাত করতে পারে। বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, পুলিশ তাকে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের সহ কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সিলেটে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পন অনুভূত

  পথের খবর
সিলেটে মৃদু ভূমিকম্পন অনুভূত হয়েছে। যার উৎপত্তিস্থল ভারতের আসামে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯। ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে সিলেটসহ বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলও।

সোমবার (১১ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা ১০টা ৫৩ মিনিটে আসামের মধ্যাঞ্চলের নগাঁ জেলার ঢিং শহরের ২২ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ৪ দশমিক ৯ মাত্রার এ ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

সিলেটে ভূমিকম্প অনুভূত হলে লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।

 

সৈয়দপুরে ৫ জুয়াড়িকে কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমান আদালত

অনলাইন ডেস্কঃ বিবিসি নিউজ ২৪ বিডি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৫ জুয়াড়িকে পাঁচদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী তাদের এ বায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ব্রমোত্তর ছালুয়াপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে আবু তালেব (২২), একই এলাকার মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে আমিনুল (২১), ইসমাইলের ছেলে রব্বানী (২০), তাহের আলীর ছেলে মইনুল ইসলাম (৩১) ও আব্দুর রশীদের ছেলে এনামুল হক (২০)।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম জানান, দুপুরে জুয়া খেলার সময় পুলিশ ৫ জনকে আটক করে। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের এ ‍রায় দেন।

নামাজের সময়সূচি
Salat times for dhaka. Muslim Prayer Times Widget by Alhabib.
খেলাধুলা

আরও খবর »

সাকিবের আঙুলে এখনই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই

পথের খবর

সাকিব আল হাসানের বাঁ হাতের কনিষ্ঠ আঙুলে আপাতত অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হচ্ছে না। বিসিবির একটি সূত্র এমনটাই জানিয়েছে।

ফিজিও থিহান চন্দ্রমোহন সাকিবের আঙুলের চোট পরিস্থিতির রিপোর্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার চিকিৎসক গ্রেগ হয়ের কাছে গিয়েছিলেন। তিনি সাকিবকে দেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে চেয়েছেন। এশিয়া কাপের আগে অস্ত্রোপচার না করালেও সমস্যা হবে না বলে গ্রেগ হয় জানিয়েছেন।

বিসিবি সভাপতি বলেছিলেন, সাকিবকে তিনি এশিয়া কাপে দেখতে চান। অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার সাকিবের ওপর ছেড়ে দেন তিনি।

সোমবার এশিয়া কাপের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সাকিব হজ করতে গেছেন। দু’একদিনের মধ্যে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

বিসিবির ওই সূত্র জানায়, সাকিব না চাইলে এখনই তার অস্ত্রোপচার করার প্রয়োজন নেই। সেটা হলে তার এশিয়া কাপে খেলা অনেকটাই নিশ্চিত। তবে সাকিব যদি নিজে থেকেই প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে এশিয়া কাপের আগেই তার অস্ত্রোপচার হতে পারে!

কুমিল্লার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে খুলনা

 পথের খবর
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ৩৯তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও খুলনা টাইটান্স। যেখানে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন খুলনা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দু’দলের আগের দেখায় বড় জয় পেয়েছিল কুমিল্লা।
মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর একটায় ম্যাচটি শুরু হয়।
কুমিল্লা লিগের খেলায় দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই আসরের শীর্ষস্থান নিজেদের করে নিয়েছে। তবে খুলনার জন্য এ ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এ ম্যাচ জিতলে শীর্ষ দুইয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের। আর শীর্ষ দুইয়ে থাকলে ফাইনালে যাওয়ার জন্য দু’বার সুযোগ থাকে।
১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে কুমিল্লা। ১১ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ঢাকা ডায়নামাইটস। তবে ঢাকার সমান পয়েন্ট পেলেও নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকায় তৃতীয় খুলনা।
খুলনা: নাজমুল হোসেন শান্ত, মাহমুদউল্লাহ, নিকোলাস পুরান, আরিফুল হক, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, আবু জায়েদ, মোহাম্মদ ইরফান, আফিফ হোসেন, বেনি হাওল, মাইকেল ক্লিঙ্গার, মোশারফ হোসেন, রুবেল হোসেন

কুমিল্লা: তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, আল আমিন, মাহেদি হাসান, রকিবুল হাসান, মেহেদি হাসান রানা, জস বাটলার, মারলন স্যামুয়েলস, গ্রায়েম ক্রেমার, সলোমন মায়ার, শোয়েব মালিক।

যে ভাবে রূপকথা লিখল ফ্রান্স

  পথের খবর

মহাদেশীয় একটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে হারের স্বাদ কোনো দলকে কতটা তাঁতিয়ে দিতে পারে সেটির উদাহরণ হয়ে থাকল ফ্রান্স। ২০১৬ ইউরোর ফাইনালে পর্তুগালের কাছে ১-০ গোলে হারের জ্বালাটা ভুলতে পারেনি দলটি। কোচ দিদিয়ের দেশম আসলে ভুলতে দেননি, আবার বিষাদের মাঝে আটকেও রাখেননি। হারের পর শিষ্যদের মানসিকতায় অবশ্য যোগ করেছিলেন শিক্ষা আর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। যেটা কাজে লাগিয়ে লুঝনিকির ফাইনালে রূপকথা লিখল দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া ফরাসিরা।

ফ্রান্স যে ভালো করবে সেটা রাশিয়ায় আসার আগে থেকেই টের পাওয়া যাচ্ছিল। বিশ্বকাপ বাছাই থেকেই অদম্য খেলেছে তরুণ দলটি। এক সুইডেনের কাছে হার ছাড়া কোনো ম্যাচেই পরাজয় দেখেনি লা ব্লুজরা। অপেক্ষাকৃত তরুণদের নিয়ে সাজানো একটা দলের এমন পারফরম্যান্স মন ভরিয়েছে বোদ্ধাদেরও। সেই দলটাই যখন অভিজ্ঞতায় ভরপুর জার্মানিকে প্রীতি ম্যাচে ২-২ গোলে রুখে দিয়েছে, তখনই টের পাওয়া যাচ্ছিল দারুণকিছুর অপেক্ষায় ফ্রেঞ্চরা।

যদিও প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স বিশ্বকাপের মূলপর্বের শুরুতে খুঁজে পাওয়া যায়নি ফ্রান্সের খেলায়। পল পগবা, কাইলিয়ান এমবাপে, উসমানে ডেম্বেলেদের নিয়ে গড়া দল অস্ট্রেলিয়ার মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জিতেছে ২-১ ব্যবধানে। সেটিও একটি পেনাল্টি, অপরটি আত্মঘাতী গোলের সুবাদে!

দ্বিতীয় ম্যাচে আরও করুণ দশা। পেরুর মতো দলের বিপক্ষে জিততে ঘাম ছুটে যায় ফরাসিদের। ৩৪ মিনিটে কাইলিয়ান এমবাপে গোলে উদ্ধার।

গোলে ভরা রাশিয়া বিশ্বকাপে কেবল একবারই দেখেছে গোলহীন ম্যাচ। সেটা এই ফ্রান্সের কল্যাণেই। আগেভাগেই দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ডেনমার্কের বিপক্ষে একদম প্রাণহীন ফুটবল খেলেছেন গ্রিজম্যান-এমবাপেরা। খানিকটা সমালোচনাও হয়েছে তখন। এরপরই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে দলটি।

সমালোচনা কিংবা ভালো খেলার তাগিদ, আসল ফ্রান্সকে খুঁজে পাওয়া যায় নকআউটে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে গতিময় ফুটবল, ছন্দময় পাস আর আক্রমণের পসরা সাজানো ম্যাচ উপহার দেয় তারা। একসময় ২-১ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষপর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে জিতে সেরা আটে ফরাসিরা। জোড়া গোলে বিশ্বের নজর আরও একবার নিজের দিকে টেনে নেন কাইলিয়ান এমবাপে।

কোয়ার্টারে কোনো একক নৈপুণ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি, বরং উরুগুয়ের বিপক্ষে দলগত এক ফ্রান্সের দেখা মেলে। এডিনসন কাভানিবিহীন উরুগুয়েকে রুখে দিতে একসঙ্গে আক্রমণে উঠে আবার একসঙ্গে নিচে নেমে খেলতে থাকে দলটি। দারুণ প্রদর্শনীর পর ফলাফল ২-০ গোলের জয়। ভারানের হেডে গোলের পর গ্রিজম্যানের দূরপাল্লার শট ঠেকাতে গিয়ে উরুগুয়ে গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেয়ারার ক্ষমার অযোগ্য ভুল করে বসেন, বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় উরুগুয়ে।

পরে সেমিফাইনালের ম্যাচ। কোয়ার্টার পর্যন্ত আধিপত্য থাকলেও বেলজিয়ামের বিপক্ষে একপ্রকার কোণঠাসা হয়ে থেকেও শেষপর্যন্ত জয়টা দেখে দেশমের দলই। নামি-দামি ফরোয়ার্ড থাকলেও দলকে জেতাতে এগিয়ে আসতে হয় স্যামুয়েল উমতিতিকে। ডিফেন্ডারের হেডেই সেমির মহাতরী পার হয়ে যায় ফ্রান্স।

ফাইনালে প্রতিপক্ষ পায় ক্রোয়েশিয়াকে। যারা নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে এসেছিল। ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স তাদের বিপক্ষে শুরুতে তল খুঁজে পেতে লড়লেও শেষ ফল উল্টোই হয়েছে! শিরোপা জিতেই মাঠ ছেড়েছে জিদানের উত্তরসূরিরাই। নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছে ক্রোয়েটদের ৪-২ গোলে হারিয়ে।

(দ্য রিপোর্ট/একেএমএম/জুলাই ১৫,২০১৮)

বিনোদন

আরও খবর »

যমুনায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ৩

পথের খবর

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন শেষে ঢাকায় ফেরার পথে মানিকগঞ্জের যমুনা নদীতে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

যাত্রীবাহী ট্রলারটি পাবনার কাজিরহাট থেকে আরিচা ঘাটে আসার পথে চরশিবালয় এলাকায় ডুবে যায়।

যাত্রীদের মধ্যে সবাই তীরে উঠতে সক্ষম হলেও দুই শিশুসহ তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন।

তীরে সাঁতরে ওঠা আলহাজ নামের এক যাত্রী জানান, তিনিসহ প্রায় সবাই তীরে উঠতে পারলেও তার বাবা নুর বখতসহ (৫০) দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। নিখোঁজ নুর বখত সাভার ইপিজেড এ চাকুরী করেন।

নৌকাটিতে আনুমানিক শতাধিক যাত্রী ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

শিবালয় থানার ওসি হাবিবুল্লাহ সরকার জানান, ইতিমধ্যে দুর্ঘটনাস্থলে পুলিশ স্পিডবোট নিয়ে গেছে।

নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শিরোনাম

হজ থেকে ফিরে হাজীদের কিছু আমল     « »     স্রেফ পায়চারি ও পা নাচিয়ে ওজন কমান     « »     কয়লা দুর্নীতি : এমডিসহ আরো ৮ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ     « »     বরিশালে শিদ কেটে ঘরে ঢুকে ব্যবসায়ীকে হত্যা     « »     সাকিবের আঙুলে এখনই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই     « »     যমুনায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ৩     « »     বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে ফিরলেন ৪১৯ হাজী     « »     ঢাকায় শিশু ধর্ষণ, কিশোর আটক     « »     ‘ফেসবুকে এখন আমি কিছুই লিখি না’     « »     গাজীপুরে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষ, ব্যবসায়ী নিহত     « »     শাহজালালে ৬ কোটি টাকার স্বর্ণসহ আটক ১     « »     পৃথিবীর ১৫ দূষিত শহরের মধ্যে ভারতেরই ১৪     « »    

Editor: Md. Nur Uddin
Address: D.I.T Road Malibagh, Dhaka-1217